ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

‘যাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১ ’ খসড়ার অনুমোদন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৬:০৪  
আপডেট :
 ১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৬:০৮

‘যাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১ ’ খসড়ার অনুমোদন
প্রতীকী ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘যাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।

গণভবন থেকে শেখ হাসিনা ও সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এই অনুমোদনের বিষয়ে জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, যাকাত তহবিল গঠন করা হবে। তহবিলের অর্থ সরকারিভাবে সংগৃহীত হবে। প্রবাসী বাংলাদেশি, বিদেশি কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা থেকে প্রাপ্ত অর্থ যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের যাকাত ফান্ডে জমা দিয়ে যাকাত আদায় করতে পারবেন। আর একটি বোর্ড থাকবে। ধর্মমন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এটার চেয়ারম্যান থাকবেন।

আইনটিতে ১৪টি ধারা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সরকারিভাবে যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ করা হবে এবং আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারিভাবে যাকাত দানে উদ্বুদ্ধকরণ। যাকাত সংগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, যাকাত দানে আগ্রহী ব্যক্তিদের যাকাতযোগ্য সম্পদের বিষয় খসড়া আইনে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যাকাত বোর্ডে সদস্য থাকবে ১০ জন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি করে দেবে ইসলামি ফাউন্ডেশন বা ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে। কালেকশন ও ডিস্ট্রিবিউশনটা তারা করবেন। কাকে কাকে কিভাবে দেবে এটা তারা ঠিক করবে। তাদের একটি অ্যাকাউন্ট থাকবে, সেখান থেকে তারা সংগ্রহ করবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সুরা তাওবায় প্রিসাইসলি সাতটি ক্যাটাগরি করে দেয়া হয়েছে, প্রত্যেক ব্যক্তি যে যাকাতযোগ্য সেই সাত ক্যাটাগরির যেকোনো একজনকে যাকাত দিতে পারবেন। বিভিন্ন ইসলামিক দেশগুলোতে বোর্ড আছে। অনেকেরই হয়তো ব্যক্তিগতভাবে দেয়ার সুযোগ থাকে না, সে হয়তো যাকাত ফান্ডে দিয়ে দিলো। তখন যাকাত ফান্ড তার পক্ষে যাকাত আদায় করে দেবে।’

তিনি বলেন, এটা তো কুরআনেও পরিষ্কার বলে দেয়া হয়েছে যে, তোমার যখন সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা ওই পরিমাণ টাকা যদি এক বছর থাকে তাহলে আড়াই শতাংশ যাকাত দিতে হবে। সেটা যদি ব্যক্তিগতভাবে দিলো তো দিলো, না হলে সরকারের ফান্ডে দিলে সেটাও দিতে পারবে।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আপনি যখন হজে যাবেন আপনি কিন্তু কুরবানি করতে যাবেন না। আপনি টাকা জমা দিয়ে দেবেন ব্যাংক একটা টাইম দিয়ে দেবে ১০ তারিখ এতটার সময় আপনার কুরবানি হয়ে যাবে। সেজন্য এ সিস্টেমটা পুরো পৃথিবীতেই আছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত