ঢাকা, বুধবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১২ মাঘ ১৪২৮ আপডেট : ৩ মিনিট আগে

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসে আগুন দিয়েছে কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৮:২৮  
আপডেট :
 ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৪২

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসে আগুন দিয়েছে কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ
ছবি- সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনাবিল পরিবহনের বাসের চাপায় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় মাইনুদ্দিন ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস ও চালককে আটক করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় কোনো সুযোগসন্ধানী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসে আগুন দিয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) রাতে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আ. আহাদ।

তিনি বলেন, ঘটনার পর চালক পালিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটক করে। তিনি বর্তমানে থানায় আছেন। বাসটিও জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে ৮টি বাসে আগুন দেয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার বলেন, আমরা যতদূর জানি উত্তেজিত জনতা এসব আগুন ধরিয়েছে। তবে কোনো সুযোগসন্ধানী কেউ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসে আগুন দিয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ। এছাড়া কতগুলো বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে তা পরে জানানো হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা নিহতের ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন তারা ভাঙচুর বা আগুন দেননি। অন্য কেউ এসে এসব করেছে। এ ধরনের ঘটনা কাম্য নয়।

বর্তমানে রামপুরা-মালিবাগের সড়কটিতে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে আসছে। তারা ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর সড়কটি খুলে দেয়া হবে।

ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসে ১২টি গাড়ি বিধ্বস্ত অবস্থায় পেয়েছি। এর মধ্যে চারটি গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে ও বাকি আটটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে ঘটনাস্থলে আমাদের তিনটি ইউনিট কাজ করে আটটি গাড়িতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে বাসগুলো সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

জানা যায়, নিহত শিক্ষার্থীর মাঈনুদ্দিন রামপুরা একরামুনেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। রামপুরার তিতাস রোডে ভাড়া বাসায় থেকে চায়ের দোকান চালান মাঈনুদ্দিনের বাবা।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত