"বৃক্ষহীন এই শহরে-অক্সিজেন খুঁজবো সিলিন্ডারে”

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২২, ২২:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

  পটুয়াখালী প্রতিনিধি

ছবি- প্রতিনিধি

“উন্নয়নের রাস্তায়-গাছ কাটুন সস্তায়; ঝাউবনে আর গাছ নাই-আনন্দের সীমা নাই; ‘আর চাইনা ছায়া ঘেরা গাছ-পিচের রাস্তায় হাটবো বারোমাস; বৃক্ষহীন এই শহরে-অক্সিজেন খুঁজবো সিলিন্ডারে”।

এরকম অগনিত অদ্ভুত সব স্লোগানে গাছ কাটার প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন করেছে পবিপ্রবি ও সরকারী কলেজ শিক্ষার্থীরা। রোববার বেলা ১১টার দিকে পৌর এলাকা উন্নয়নের নামে ঝাউতলার গাছকাটার প্রতিবাদে ব্যাতিক্রম এ কর্মসূচী পালিত হয়েছে। এসময় সচল সড়কে অবস্থান করে নাচগানের আয়োজন ও মিষ্টি বিতরণ করে শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, জেলা শহরের একাংশে ফোরলেন সড়ক র্নিমান করা হচ্ছে। ওই সড়কের সৌন্দর্য্য বর্ধন ও ল্যাম্প পোস্টের আলো ছড়িয়ে দিতে সড়কের মাঝে লাগোয়া শতাধিক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। তা হলে আসুন আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উন্নয়নের নামে সকল বনায়ন উজাড় করি। সকল গাছ কেটে পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়িয়ে চলমান শীতের কষ্ট থেকে গরীব জনগোষ্ঠিকে রক্ষা করি।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, লাইট পোষ্টের নিচে বসে কতো মানুষ বিদ্ব্যান হয়েছে, কিন্তু গাছ তলায় কেউ বিদ্ব্যান হতে পারেনি। তাই যত পারেন উন্নয়নের নামে গাছ কাটেন। পৌর কর্তৃপক্ষের উন্নয়ন ও খামখেয়ালিপনায় শহরের ঐতিহ্যবাহী ঝাউবন আজ থেকে কাটাবন হয়ে গেল। এভাবে উন্নয়নের নামে আর কত বনায়ন ধ্বংস করা হবে তা জানতে চাই সমাজের কাছে। আমরা কি অভিভাবকহীন শহরের বসবাস করছি?। গাছ কাটার প্রতিবাদে বক্তব্য রাখেন পবিপ্রবির শিক্ষার্থী শোভন,রাজীব,হৃদয় সাহা, নয়ন এবং পটুয়াখালী সরকারী কলেজ শিক্ষার্থী-মানিক ইসলাম,সুকান্ত হৃদয়,ফাতিমা এশা,জান্নাতুলসহ অনেকে।

পটুয়াখালী পৌরসভার র্নিবাহী প্রকৌশলী জসিম উদ্দীন আরজু বলেন, উন্নয়ন সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসক ছিলেন সভাপতি। ওই সভায় জেলার সনামধন্য ব্যক্তিবর্গ এবং সংশ্লিষ্টরা ছিলেন। সেখানে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি হয়। ওই সভায় পৌরসভার উন্নয়নের জন্য ৬৩টি গাছ কাটার অনুমোদন হয়। তাই শহর উন্নয়নের স্বার্থে গাছ কাটা হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এএম