ঢাকা, সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ আপডেট : কিছুক্ষণ আগে

চট্টগ্রামে চার হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ

  চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৮ মে ২০২২, ১৮:৪৫

চট্টগ্রামে চার হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ
ছবি: প্রতিনিধি
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামে অবৈধ হাসপাতাল, ল্যাব ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানের প্রথম দিনে নগরের দুটি হাসপাতাল ও দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠান চারটিকে বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বন্ধ হওয়া চার প্রতিষ্ঠান হলো— চট্টশ্বেরী রোডের চট্টগ্রাম কসমোপলিটন হাসাপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড, ডবলমুরিং থানার ডিউটি রোডের পপুলার মেডিকেল সেন্টার ক্লিনিক্যাল ল্যাব, দামপাড়ার নিরুপনী প্যাথলজী ল্যাবরেটরি, ও পাঁচলাইশের এস.টি.এস হাসপাতাল।

সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরী বলেন, অবৈধ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেছি। এর মধ্যে লাইসেন্সসহ কোনো কাগজপত্র না পাওয়া, পরিবেশের ছাড়পত্র না থাকা, অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ বিভিন্ন অভিযোগে দুটি হাসপাতাল ও দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে সেবার মূল্য প্রদর্শিত করা হয়নি। ২০২২-এর অনলাইনের আবেদন পাওয়া যায়নি। তবে হাসপাতালের সব কাগজ সঠিক পাওয়া গেছে। এ সময় তাদেরকে সেবার মূল্য প্রদর্শন করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অভিযান চালানো হয় পলি হসপিটালে। সেখানেও সেবার মূল্য প্রদর্শন না করায় তাদের তা করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

চট্টশ্বেরী রোডের চট্টগ্রাম কসমোপলিটন হাসপাতালের লাইসেন্সসহ কোনো কাগজপত্র প্রদর্শন করত পারেনি কর্তৃপক্ষ। এজন্য হাসপাতালটি বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। তাদের কাগজপত্র থাকলে তা সিভিল সার্জন অফিসে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

নগরের ডবলমুরিং থানার ডিউটি রোডের পপুলার মেডিকেল সেন্টারে ব্লাড কালেকশানের জন্য কোনো পাস করা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নেই। এক্স-রে রুম ও প্যাথলিজ রুম মানসম্মত নয়। এক্স-রে রুমের দেওয়ালের ঘনত্ব ৫ ইঞ্চি। ছাদে লিড শিট লাগানো নেই। এছাড়া লাইসেন্স, ভ্যাট ট্যাক্সের কাগজপত্র না থাকায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিও বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

নগরের দামপাড়া এলাকার নিরুপনী প্যাথলজি ল্যাবরেটরিতে রিসেপশনের সামনে রোগী বসিয়ে ব্লাড কালেকশন করা। এছাড়া অনলাইনে আবেদন পাওয়া যায়নি, পরিবেশ ছাড়পত্র, ভ্যাট, টিন সার্টিফিকেট পাওয়া যায়নি। ল্যাবরেটরিটি অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন পাওয়া গেছে। যে কারণে এটিকেও বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া নগরের পাঁচলাইশের এসটিএস হাসপাতালে দালাল চক্রের আনাগোনা দেখা যায়। ওই হাসপাতালে দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া তারা হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তাই হাসপাতালটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত