ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট ২০২২, ৩ ভাদ্র ১৪২৯ আপডেট : ৫ মিনিট আগে

আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২২, ১৭:৩৯  
আপডেট :
 ২৯ জুন ২০২২, ২১:৫৯

আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে ৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাণিজ্য প্রসারে ১.০৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৯০ টাকা ধরে)। বিশ্বব্যাংকের এ অর্থে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ঘটবে।

বুধবার সংস্থাটির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আঞ্চলিক করিডোর বরাবর বাণিজ্য ও পরিবহন খরচ এবং ট্রানজিট সময় কমিয়ে আনা হবে। বাংলাদেশ ও নেপালের আঞ্চলিক বাণিজ্যের উন্নতিতে সহায়তা করার জন্য বিশ্বব্যাংক এই ঋণ অনুমোদন করেছে।

এ অর্থায়নের আওতায় প্রথম ধাপে বাংলাদেশ এবং নেপালের বাণিজ্য আরও আধুনিক ও ডিজিটাল করা হবে। কারণ এ করিডরে দীর্ঘ মেয়াদে ম্যানুয়াল এবং কাগজভিত্তিক বাণিজ্য প্রক্রিয়া চলমান। অটোমেশনে দ্রুত বর্ডার ক্রসিং টাইম সক্ষম অর্জন এবং ট্রাক এন্ট্রি এবং এক্সিট দ্রুতকরণ করা হবে। ইলেকট্রনিক সারি এবং স্মার্ট পার্কিংয়ের ইলেকট্রনিক ট্র্যাকিং ইনস্টল করা হবে।

সবুজ ও জলবায়ু-স্থিতিস্থাপক নির্মাণ নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে প্রোগ্রামটি নির্বাচিত সড়ক করিডোর উন্নত করতে এবং মূল স্থলবন্দর এবং কাস্টম অবকাঠামো উন্নত করতে সহায়তা করবে। এটি স্থলবেষ্টিত নেপাল ও ভুটানকে বাংলাদেশ ও ভারতের প্রবেশদ্বার দেশগুলোর সঙ্গে একীভূত করতে সহায়তা করবে।

সড়ক ও স্থলবন্দরের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সঙ্গে শেওলা স্থলবন্দর সংযুক্ত প্রকল্পে বাংলাদেশকে ৭৫ দশমিক ৩৪ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক। এই স্থলবন্দরকে সংযুক্ত করে ৪৩ কিলোমিটার দুই লেনের সিলেট-চরকাই-শেওলা সড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করা হবে।

এছাড়া প্রকল্পটি বেনাপোল, ভোমরা এবং বুড়িমারী স্থলবন্দরে ডিজিটাল সিস্টেম, অবকাঠামো এবং আরও কিছু প্রক্রিয়াকে বাস্তবায়ন করবে। বাংলাদেশের তিনটি বৃহত্তম স্থলবন্দর যা প্রায় ৮০ শতাংশ ভূমিভিত্তিক বাণিজ্য পরিচালনা করে। এ ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের আধুনিকীকরণে সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক।

বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত এবং নেপালের মধ্যে বাণিজ্য ২০১৫-১৯ পর্যন্ত ছয় গুণ বেড়েছে উল্লেখ করে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, প্রকল্পটি বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও পরিবহনের উন্নতিতে সাহায্য করবে। ফলে করোনার মতো সংকটে চলমান থাকবে বাণিজ্য।

নেপালের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে বিশ্বব্যাংক

নেপালের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে ২৭ দশমিক ৫ কোটি ডলার ব্যয় হবে। যা পূর্ব-পশ্চিম হাইওয়ে বরাবর ৬৯ কিলোমিটার দ্বি-লেনের বুটওয়াল-গোরুসিংহে-চনাউতা সড়ককে একটি জলবায়ু-সহনশীল চার লেনের হাইওয়েতে উন্নীত করবে। যা ব্যবসায়ীদের জন্য নিবেদিত স্থানসহ মহাসড়কের পাশে বাজার এলাকা তৈরি করবে।

বিশ্বব্যাংকের (মালদ্বীপ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কা) কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারিস হাদাদ-জারভোস বলেন, নেপালের আঞ্চলিক বাণিজ্য ও রপ্তানির জন্য বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকল্পটি সবুজ, টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নকে সমর্থন করবে। পাশাপাশি আঞ্চলিকভাবে নেপাল এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে সংযোগ এবং বাণিজ্যের মাধ্যমে নেপালের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত