সয়াবিন তেল-পামঅয়েলের পাশাপাশি বেড়েছে ডিমের দাম

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২২, ১১:৩৬ | অনলাইন সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই আবারও বেড়েছে খোলা সয়াবিন তেল ও পামঅয়েলের দাম। একইসাথে বেড়েছে ডিমের ডজনও। সয়াবিন তেল ও পামঅয়েল কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং ডিমের ডজন ২০ থেকে ২৫ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার ছুটির দিন সকালে রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে জানা যায়, গত সপ্তাহে খোলা সয়াবিন তেলের কেজি বিক্রি হয়েছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায়। আর আজ বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকায়। বোতলজাত সরিষার তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়।

মিরপুর ১১ নম্বর বাজারের মুদি দোকানিরা গত সপ্তাহে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করেছেন। আর আজ বিক্রি করছেন ১৯০ টাকায়। এছাড়া, খোলা সরিষার দাম আগের মতোই ২৩০-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ডিমের দাম ডজন প্রতি বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। আজ ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা আর ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০-৪৫ টাকায়। গত সপ্তাহে ডিমের ডজন ছিলো ১২০ টাকা আর হালি ৪০ টাকা।

মিরপুর ১১ নম্বর বাজারের ডিম ব্যবসায়ী মোবারক সরকার জানান, একশত ডিম গত সপ্তাহে পাইকারি ছিলো হাজারের নিচে। কিন্তু এখন ১১৪০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। সেজন্য আজ ডিমের দাম বাড়তি।

এদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সাথে সাথেই চড়া হয়েছে সবজির বাজারও। সবজি বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। কাঁচা মরিচের কেজি ২০০-২২০ টাকা। গত সপ্তাহের ১২০ টাকা কেজির চায়না গাজর বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। আর দেশি গাজর ছিলো ৮০ টাকা, আজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

ঢেড়শের দাম বেড়েছে কেজিতে ১৪-১৫ টাকা। গত সপ্তাহে ঢেড়শের কেজি ছিলো ২৫-২৬ টাকা, আজ পাইকারি বাজারে ৩৫ টাকায় কেজি এনে খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। 

সবজি বিক্রেতা মামুন জানান, সবজির দাম ওঠানামা করে। গত সপ্তাহে সিম বিক্রি করেছি ২৪০ টাকায়। আজ বিক্রি করছি ২০০ টাকায়। আমরা যে খুব বেশি লাভ করি, তা নয়। বাজারে সবজির দাম ওঠানামা করছে। তবে, এটা সত্য যে, আগের তুলনায় দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনতে গেলে তারা জানায়, তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। আমাদেরও তাই বেশি দামে কিনতে ও বিক্রি করতে হচ্ছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে জিরা, এলাচি, দারুচিনি, লবঙ্গ, মেথিসহ সব ধরনের মসলার দাম প্রতি কেজিতে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে। পাইকারি মসলার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে প্রায় সব ধরনের গরম মসলার দাম গত সপ্তাহের তুলনায় বেশি চাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। মসলার সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। তবু আমদানি খরচ বেশি হচ্ছে—এমন অজুহাত তুলে দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আজ জিরা প্রতি কেজি ৬৭০, সাদা এলাচি প্রতি কেজি ১ হাজার ৬০০, কালো এলাচি ১ হাজার, মৌরি প্রতি কেজি ২৩০, মেথি প্রতি কেজি ১৬০, কাজুবাদাম ১ হাজার ৩০০ ও কাঠবাদাম ১ হাজার ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

সপ্তাহখানেক আগে একই বাজারে জিরা প্রতি কেজি ৩৬০, সাদা এলাচি ১ হাজার ৩০০, কালো এলাচি ৯০০, মৌরি ১৬০, মেথি ৯০, কাজুবাদাম ১ হাজার, কাঠবাদাম ৯০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। কেজিতে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা দাম বেড়েছে দারুচিনি, সাদা গোলমরিচ, কালো গোলমরিচসহ সব ধরনের মসলায়।

বাংলাদেশ জার্নাল/রাজু