গাজীপুরে শিক্ষক দম্পতির মৃত্যুতে হত্যা মামলা দায়ের

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২২, ০১:৪৩ | অনলাইন সংস্করণ

  গাজীপুর প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার দক্ষিণ খাইলকুর বগারটেক এলাকায় প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে শিক্ষক দম্পতির লাশ উদ্ধারের একদিন পর হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শুক্রবার  রাত সাড়ে ৮ টায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন নিহত প্রধান শিক্ষক এ কে এম জিয়াউর রহমানের বড় ভাই মো. আতিকুর রহমান। 

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার ওসি নন্দলাল চৌধুরী বলেন, মৃত ওই স্কুল শিক্ষকের বড় ভাই আতিকুর রহমান বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করছে।

নিহতের ছোট ভাই জহুরুল ইসলাম ওয়াসীম বলেন, আমার ভাই ভাবি খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। তাদের সঙ্গে কারও কখনো কোন ঝামেলা হতে দেখিনি। কিন্তু এটি স্বাভাবিক মৃত্যু হতে পারে না। এটি একটি হত্যা। তাই থানায় মামলা করা হয়েছে। আমরা আশাবাদী পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত করে এর আসল রহস্য বের করবে। ভাই-ভাবীর লাশের দাফন সেরে ও স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করার পর মামলাটি করতে একদিন বিলম্ব হয়েছে। 

ইতোপূর্বে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান শাফি মোহাইমেন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে লাশ দুটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তাদের দুজনের ফুসফুস ও কিডনিতে জমাট রক্ত পাওয়া গেছে। এটা খাবারে বিষক্রিয়া বা অন্য কারণেও হতে পারে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভোরে দক্ষিণ খাইলকুর বগারটেক এলাকায় প্রাইভেট কারের ভেতরে এ কে এম জিয়াউর রহমান (৫১) ও তার স্ত্রী মোসা. মাহমুদা আক্তার ওরফে জলি (৩৫) দম্পতির লাশ পাওয়া যায়। জিয়াউর গাজীপুরের টঙ্গীর শহীদ স্মৃতি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। মাহমুদা টঙ্গীর আমজাদ আলী সরকার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। পরে মৃত ওই দম্পতিকে গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ত্রিশালে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে দাফন সম্পূর্ণ করেন।

আরও পড়ুন:
প্রাইভেটকার থেকে নিখোঁজ শিক্ষক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

কিডনিতে-ফুসফুসে জমাট রক্ত, নমুনা সিআইডি ল্যাবে

শিক্ষক দম্পত্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি

বাংলাদেশ জার্নাল/জিকে