ঢাকা, শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ আপডেট : ২ মিনিট আগে
শিরোনাম

রহিমা বেগমকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর

  দৌলতপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:২৮  
আপডেট :
 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৪০

রহিমা বেগমকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর
আত্মগোপনে থাকা মরিয়ম মান্নানের মা। ছবি: সংগৃহীত
দৌলতপুর প্রতিনিধি

আত্মগোপনে থাকা খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার মরিয়ম মান্নানের মা রহিমা বেগমকে ২৯ দিন পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধারের পর রোববার সকালে তাকে পিবিআই কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দৌলতপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধারের পর থেকে তিনি আমাদের কাছে কিছুই বলছেন না। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সৈয়দপুর গ্রামের কুদ্দুসের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। রহিমা বেগমকে নিয়ে পুলিশের একটি টিম শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে দৌলতপুর থানায় পৌঁছায়।

সেখানে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, অফিসাররা ওই বাড়িতে গিয়ে দেখেন, ভিকটিম দুই নারীর সঙ্গে কথা বলছেন। অফিসাররা যখন তাকে জিজ্ঞেস করেন, তখন থেকে তিনি কথা বলা বন্ধ করে দেন।

তিনি আরও বলেন, মামলাটি যেহেতু পিবিআইতে হস্তান্তর হয়েছে, তারা বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখবেন। ভিকটিমক নিয়ে সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আমরা তাকে উদ্ধার করতে পেরেছি, আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া। আমরা সবাই খুশি। বাকিটা পিবিআই তদন্ত করবে। আমি আশাবাদী পিবিআই এর রহস্য উদঘাটন করতে পারবে।

এর আগে শুক্রবার সকালে নিখোঁজ রহিমা বেগমের (৫৫) সন্ধানে ময়মনসিংহে যায় মরিয়ম ও তার পরিবারের সদস্যরা। কাপড় দেখে মায়ের লাশ দাবি করেন মরিয়ম। তবে পুলিশ বলেছিলো, ডিএনএ টেস্ট ছাড়া লাশ চূড়ান্ত শনাক্ত করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন... মরিয়ম মান্নানের মাকে জীবিত উদ্ধার

প্রসঙ্গত, গত ২৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ১০টার দিকে খুলনা মহানগরীর মহেশ্বরপাশার উত্তর বণিকপাড়ার নিজ বাসা থেকে টিউবওয়েলে পানি আনতে নিয়ে নিখোঁজ হন রহিমা বেগম। এরপর আর ঘরে ফেরেননি তিনি। স্বামী ও ভাড়াটিয়ারা নলকূপের পাশে ঝোপঝাড়ে তার ব্যবহৃত ওড়না, স্যান্ডেল ও বালতি দেখতে পান। সেই রাতে মাকে খুঁজতে আত্মীয়স্বজন, আশপাশসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেন সন্তানরা।

রহিমার ছয় সন্তান কখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, কখনো মাইকিং, কখনো আত্মীয়স্বজনদের দ্বারস্থ হয়েছেন। সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধনের পর মাকে খুঁজে পেতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর দৌলতপুর থানায় মামলাও দায়ের করেন। মামলার বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পিবিআই তদন্তের ভার পায়। ১৭ সেপ্টেম্বর দৌলতপুর থানা থেকে মামলাটি পিবিআইয়ে স্থানান্তর করা হয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/রাজু

  • সর্বশেষ
  • পঠিত