ঢাকা, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ আপডেট : ১৪ মিনিট আগে
শিরোনাম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, সংস্কার কাজে ভোগান্তি

  কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৬:১৬

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, সংস্কার কাজে ভোগান্তি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট। ছবি: প্রতিনিধি

কুমিল্লা প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে সড়ক সংস্কার কাজের কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের মেঘনা ও গোমতী সেতুর টোলপ্লাজা থেকে গৌরিপুর পর্যন্ত যানজট দেখা গেছে। সকাল থেকে ঢাকামুখী লেনে প্রায় ২৫ কিলোমিটার মহাসড়কজুড়ে যানজট তৈরি হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুটা কমলেও আবার বেড়ে যায়।

বর্তমানে ২৫ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার কাজ চলা এলাকায় প্রায় ২০ কিলোমিটার যানজট লেগে আছে। এতে যাত্রী, চালক ও জরুরি চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রওনা দেয়া রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার গৌরীপুর বাজারের কাছাকাছি অংশে কাজ সংস্কার চলছে। সংস্কার কাজ ২৪ ঘণ্টা চলমান থাকার কারণে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে মাত্র একটি গাড়ি চলতে পারে। এতে গাড়ির চাপ সৃষ্টি হলে মাধাইয়া এলাকা থেকে গৌরীপুর হয়ে দাউদকান্দি টোলপ্লাজা পর্যন্ত যানজট লেগে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়ে অ্যাম্বুল্যান্স, যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোসহ সব ধরনের যানবাহন।

লাকসামের মুদাফরগঞ্জ থেকে পদ্মা এক্সপ্রেসে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে ভোর ছয়টার দিকে রওনা দিয়েছেন মোহাম্মদ সোহেল। তিনি বলেন, ৬ ঘণ্টায় তিনি মাত্র গৌরিপুর বাজারে এসেছি। চার ঘণ্টায় আমি আধা কিলোমিটার এসেছি। জানি না ঢাকা যেতে কতক্ষণ লাগে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, যানজট আছে। আমাদের পুরো টিম মাঠে কাজ করছে। গত দুইদিন আমি রাস্তায় আছি। আমরা চেষ্টা করছি যানজট কমিয়ে আনার। আমরা ড্রাইভার ও যাত্রীদের সরকারি কাজে সহায়তা করতে অনুরোধ করবো।

কুমিল্লার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমা বলেন, আমরা সংস্কার কাজ দ্রুত গতিতেই করছি। পূজার কারণে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেশি। যানবাহনও বেশি। তাই যানজটে ভোগান্তি হচ্ছে। আমরা যানজট এলাকায় মাইকিং করছি। অলটারনেটিভ হিসেবে কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়ে হয়ে ঢাকা সড়ক ব্যবহার করার অনুরোধ করছি। তাছাড়া আমরা সবাইকে বলবো ঢাকা যাওয়ার জন্য যেন সময় নিয়ে বের হয়। আমরা জনগণের জন্যই কাজ করি। আমরা সবাইকে বলবো কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত একটু ধৈর্য ধরতে।

তিনি আরও বলেন, একটি অংশের কাজ শেষ করে ২৮ দিন কোনো গাড়ি ওই অংশে আমরা চলাচল করতে দেই না। যাতে কাজটি মজবুত হয়। এই কারণে সময় বেশি লাগছে। আরও ৫ থেকে ৬ মাস সময় লাগতে পারে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত