প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিলেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা

প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯:৫২ | অনলাইন সংস্করণ

  নিজস্ব প্রতিবেদক

৩৮ হাজার শিক্ষকের দ্রুত চুড়ান্ত সুপারিশ ও যোগদানের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ও শিক্ষা সচিব বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্তরা।

বুধবার গণবিজ্ঞপ্তি প্রত্যাশী শিক্ষক ফোরাম ও ১-১৫তম নিবন্ধিতদের পক্ষে প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকের প্রতিনিধি দল প্রথমে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে, পরে সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপমন্ত্রী ও শিক্ষা সচিব বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করে। 

স্মারকলিপির মাধ্যমে এনটিআরসিএর ৩য় গণবিজ্ঞপ্তির ৩৮হাজার প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দ্রুত যোগদান বা চুড়ান্ত সুপারিশ প্রদানের দাবি জানান তারা। 

গত ৩০শে মার্চ শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার পর আবেদন গ্রহণ করে গত ১৫ই জুলাই প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফলাফল ঘোষণা করার প্রায় ৪ মাসেও যোগদান সম্পন্ন হয়নি। বর্তমানে তাদের পুলিশ ভেরিফিকেশন চলমান রয়েছে। 

প্রার্থীদের দাবি, ২০১৮ সালের ২৮নভেম্বর ১৫তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ৩য় গণবিজ্ঞপ্তির নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হলেও প্রায় ৩ বছরেও এর কার্যক্রম শেষ হয়নি। প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তায় চুড়ান্ত নিয়োগের অপেক্ষায় দুবির্ষহ জীবন পার করছে। প্রতিনিয়ত পারিবারিক, সামাজিক ও আর্থিকভাবে তারা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।   

সারাদেশে প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষক সংকট রয়েছে। করোনাকালে শিক্ষার ক্ষতি এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক পাঠদানে সমস্যা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরাও শিক্ষক সংকটের ফলে পাঠদান স্বাভাবিক করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। এসব কিছু বিবেচনায় নিয়ে ৩৮ হাজার শিক্ষকের দ্রুত যোগদান জরুরি বলে মনে করছেন প্রার্থীরা। 

সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা বলছেন, মুজিববর্ষেই এ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু, মুজিববর্ষও শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। তাই প্রার্থীরা দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পন্ন করতে হবে।
 
৩য় গণবিজ্ঞপ্তিতে প্রাথমিক সুপারিশপ্রাপ্ত শান্ত আহমেদ বলেন, শিক্ষার সার্বিক উন্নয়ন, মুজিববর্ষে বেকারত্ব হ্রাসের অঙ্গিকার বাস্তবায়ন, অসহায় শিক্ষকদের আর্থিক দুরবস্থাসহ সামাজিক মর্যাদার কথা চিন্তা করে এই ডিসেম্বর মাসেই চুড়ান্ত যোগদানের ব্যবস্থা করতে হবে। 

বাংলাদেশ জার্নাল/একে/এমএম