ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ আপডেট : ২০ মিনিট আগে

ইউজিসি’র নির্দেশনা মানছে না কুবি

  নাঈমুর রহমান রিজভী

প্রকাশ : ২৬ মে ২০২২, ০০:২২

ইউজিসি’র নির্দেশনা মানছে না কুবি
নাঈমুর রহমান রিজভী

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নিয়মানুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি এসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর পরিচালক ও অতিরিক্ত পরিচালকের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করা যাবে না।

তবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি এসিউরেন্স সেল (আইকিউএসি)’র পরিচালকের ক্ষেত্রে মানা হলেও অতিরিক্ত পরিচালকের ক্ষেত্রে এ নিয়ম মানা হচ্ছে না। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে কানাঘুষার সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের এক অর্গানোগ্রামে বলা হয়, ‘নিযুক্ত আইকিউএস-এর পরিচালক এবং কোনো অতিরিক্ত পরিচালককে স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা ব্যতীত প্রশাসনিক বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব প্রদান করা যাবে না। নিয়োগপ্রাপ্ত আইকিউএসি-এর কোনো পরিচালক বা অতিরিক্ত পরিচালক পূর্ব থেকে এ ধরনের প্রশাসনিক বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বে থাকলে অনতিবিলম্বে তাঁকে উক্ত অতিরিক্ত দায়িত্ব থেকে অথবা আইকিউএসি-এর সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।’

এ নির্দেশনার আলোকে গত ২০ এপ্রিল নতুন পরিচালক হিসেবে ৩ বছরের জন্য নিয়োগ পাওয়া লোকপ্রশাসন বিভাগের তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রশিদুল ইসলাম শেখকে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় এবং বিভাগটিতে নতুন বিভাগীয় প্রধান নিযুক্ত করা হয়।

তবে ভিন্নতা দেখা গেছে অতিরিক্ত পরিচালক ড. বনানী বিশ্বাসের ক্ষেত্রে। যিনি একই সাথে ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত ১৬ মার্চ এক অফিস আদেশে ড. বনানী বিশ্বাসের মেয়াদ ৩০ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। যদিও ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি ইংরেজি বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন।

ব্যাক্তিভেদে নিয়ম প্রয়োগে প্রশাসনের এমন ভিন্ন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিষয়টি এমন হয়েছে যে এক দেশে দুই নীতি। একজনের জন্য আইন মানা হচ্ছে আরেকজনের জন্য আইন মানা হচ্ছে না। ইউজিসির নীতিমালা থাতা সত্ত্বেও কেন এটি বাস্তবায়ন হয়নি সেটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভালো বলতে পারবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এফ. এম. আব্দুল মঈন বলেন, যোগ্য লোকবল সংকটে এ পদে নতুন কাউকে দেয়া যাচ্ছে না। আমরা নতুন কাউকে নিয়োগ দোয়ার কথা ভাবছি। তবে এই নিয়োগে আমরা শুধু পদের সময় বৃদ্ধি করেছি। নিয়োগ আগের।

এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের স্ট্রাটেজিক প্ল্যানিং এন্ড কোয়ালিটি এসিউরেন্স ডিভিশনের পরিচালক ড. মোঃ ফখরুল ইসলাম জানান, আমরা এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন দিয়েছি। যারা পরিচালক অথবা অতিরিক্ত পরিচালক হবেন তাদের বিভাগে সর্বোচ্চ দুটি কোর্স পরিচালনা করতে পারবেন। তবে এর ব্যর্থতা ঘটলে সেটি উপর মহলের নজরে আনা উচিত।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত