ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ আপডেট : ২০ মিনিট আগে

কে বসছেন সাতশ একরের মসনদে

  জাবি প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২২, ০০:০৪  
আপডেট :
 ১৩ আগস্ট ২০২২, ০১:৪৭

কে বসছেন সাতশ একরের মসনদে
ছবি: প্রতিনিধি
জাবি প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ ঘোষণা করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় সিনেটের সচিব ও রিটার্নিং কর্মকর্তা নিবন্ধক রহিমা কানিজ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

ভোটে অংশগ্রহণ করা ৭৬জন সিনেটরের মধ্যে ৪৮জনের ভোট পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক অধ্যাপক আমির হোসেন। দুই ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয় স্থানে আছেন বর্তমানে সাময়িক উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক নূরুল আলম। ৩২জন সিনেটরের ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন অজিত কুমার মজুমদার।

বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত এই তিন অধ্যাপকের নাম যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে। সেখান থেকে একজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য।

সবকিছু ছাপিয়ে এখন তাই প্রশ্ন, কে বসছেন সাতশ একরের মসনদে?

উপাচার্য হওয়ার দৌড়ে আছেন যারা

অধ্যাপক আমির হোসেন: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক (১৯৮০) ও স্নাতকোত্তর (১৯৮২) পাশের পর ১৯৮২ সালেই নিজ বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদান করেন অধ্যাপক মো. আমির হোসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারি একমাত্র এই অধ্যাপক উপ-উপাচার্য (প্রশাসন), বিভাগের সভাপতি ও অনুষদের নির্বাচিত ডিনের দায়িত্ব পালন করেছেন। দুই মেয়াদে জাবি শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের দায়িত্ব থাকা এই অধ্যাপক দায়িত্ব পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটি ও একাডেমিক কাউন্সিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী পর্ষদেও। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’-এর বর্তমান সভাপতি।

অধ্যাপক মো. নূরুল আলম: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক (১৯৭৬) ও স্নাতকোত্তর (১৯৭৭) পাশের পর ১৯৮২ সালে নিজ বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদান করেন অধ্যাপক মো. নূরুল আলম। বর্তমানে সাময়িক উপাচার্যের দায়িত্বে থাকা এই অধ্যাপক উপাচার্য (রুটিন দায়িত্ব), উপ-উপাচার্য (শিক্ষা), বিভাগের সভাপতি ও অনুষদের ডিনের দায়িত্বের বাইরে বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালন করেছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, হল প্রাধ্যক্ষ হিসেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী পর্ষদ সিনেট, সিন্ডিকেট ও অর্থ কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন প্রবীণ এই শিক্ষাবিদ। তিনি দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নেতৃত্বদানকারি সংগঠন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি ও তিন মেয়াদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি। উভয় সংগঠনে সহ-সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন বেশ কিছুটা সময়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাশের পর ১৯৮৩ সালে নিজ বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদান করেন অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার। বিভাগের সভাপতি ও অনুষদের ডিনের দায়িত্বের বাইরে ছিলেন সিন্ডিকেট, সিনেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী পর্ষদের সদস্য। দায়িত্ব পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যায়ের গ্রন্থাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও আইকিউএসির (ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সেল) পরিচালক হিসেবে। নির্বাচিত হয়ে ৬ মেয়াদে পালন করেছেন জাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সভাপতি।

আরও পড়ুন: জাবির উপাচার্য প্যানেল নির্বাচন: সর্বোচ্চ ভোট অধ্যাপক আমির হোসেনের

বাংলাদেশ জার্নাল/জিকে

  • সর্বশেষ
  • পঠিত