ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ আপডেট : ৬ মিনিট আগে

দাবি মানার আশ্বাসে হলে ফিরলেন খুবি শিক্ষার্থীরা

  খুবি প্রতিনিধি

প্রকাশ : ১৭ আগস্ট ২০২২, ০৩:৪৫

দাবি মানার আশ্বাসে হলে ফিরলেন খুবি শিক্ষার্থীরা
খুবি প্রতিনিধি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলের এক ছাত্রী রাইস কুকার ব্যবহার করায় তাকে হলের প্রভোস্ট শোকজ করেছে, এর প্রতিবাদে মধ্যরাতে দুটি ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে অন্য হলের শিক্ষার্থীরা যুক্ত হয়ে হাদী চত্বরে অবস্থান নিয়ে নিজেদের ১০ দফা দাবি জানান।

এসময় কর্তৃপক্ষ তাদের দাবিগুলো মেনে নেয়ার আশ্বাস দিলে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার পর তারা আন্দোলন স্থগিত করে হলে ফেরেন।

শিক্ষার্থীদের ১০ দাবি গুলো হল-

১। রাইস কুকার ও রান্নার সরঞ্জামাদি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।

২। যৌন হয়রানির প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় কথা বলার কারণে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পারিবারিক শিক্ষা তুলে কথা বলায় ক্ষমা চাইতে হবে।

৩। হলে প্রয়োজনে অভিভাবক ও নারী আত্মীয়দের থাকার অনুমতি দিতে হবে।

৪। পানিতে পোকা ও খাবারের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে।

৫। প্রভোস্টদের নিজ ডিসিপ্লিনের স্টুডেন্টদের ডেকে ব্যক্তিগত এবং একাডেমিক বিষয়ে হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং ক্ষমা চাইতে হবে।

৬। হলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দুর্ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

৭। যেকোনো পরিস্থিতিতে সিট বাতিলের হুমকি দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

৮। যেকোনো পরিস্থিতিতে হলের ছাত্রীদের মতামতকে প্রাধান্য দিতে হবে।

৯। আজকের (মঙ্গলবার) ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগতভাবে হুমকি দেওয়া যাবে না।

১০। দাবি না মানলে প্রভোস্ট কমিটিকে পদত্যাগ করতে হবে।

এসময় শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রহিমা নুসরাত রিমি।

এর আগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, হলের প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট ছাত্রীদের সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ধমক দেওয়া থেকে শুরু করে সিট বাতিলের হুমকি দেন। মঙ্গলবার এক ছাত্রী ওই হলে বটি দিয়ে গলা কাটার চেষ্টা করলেও হাসপাতালে নিয়ে গেলে বেঁচে যান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রীদের রান্না করার সরঞ্জাম জব্দ করার নির্দেশ দেয় হল কর্তৃপক্ষ। নির্দেশনায় বলা হয়, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, রাইস কুকার, হিটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম না সরালে, যার রুমে এগুলো পাওয়া যাবে তার সিট বাতিল হয়ে যাবে।

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, কিছুদিন আগে ফেসবুকে কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে এক ছাত্রীকে ৪৫ মিনিট ধরে ধমক দেয় এবং শাসায় হল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ছাত্রীরা বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে জানালে সমস্যা সমাধান না করে উল্টো শাসানো হয়।

এসময় ছাত্রীরা অভিযোগ করেন, সহকারী প্রভোস্ট ছাত্রীদের হুমকি দিয়ে বলেছেন, ‘হল তোমাদের সুযোগ, অধিকার নয়।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেএ

  • সর্বশেষ
  • পঠিত