ঢাকা, বুধবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১২ মাঘ ১৪২৮ আপডেট : ১ মিনিট আগে

আমি সারাবছর কাজ করায় বিশ্বাসী না: সাবরিনা আইরিন

  ইমরুল নূর

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২২, ১৮:১০  
আপডেট :
 ১১ জানুয়ারি ২০২২, ২৩:১৭

আমি সারাবছর কাজ করায় বিশ্বাসী না: সাবরিনা আইরিন
বিজ্ঞাপন নির্মাতা সাবরিনা আইরিন
ইমরুল নূর

শৈশবে বৈমানিক হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও সময়ের পরিক্রমায় নিজেকে আবিষ্কার করেন নির্মাতা হিসেবে। অনুষ্ঠান পরিচালনা, নির্মাণ সহকারী, ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে ভালো ধারণা থাকার দরুণ কস্টিউম ডিজাইনার এবং ক্রিয়েটিভ কিছু করার পরিকল্পনা থেকে আর্ট ডিরেক্টর এবং সবকিছুর মিশেলে পরিশেষে তিনি আত্মপ্রকাশ করেন নির্মাতা হিসেবে। তারপরও পেরিয়ে যায় দীর্ঘ অনেকটা বছর। যার কথা বলছি তিনি আর কেউ নন, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রিয়েটিভ কিছু করায় পারদর্শী মেধাবী নির্মাতা সাবরিনা আইরিন। দেখতে দেখতে ইন্ডাস্ট্রিতে পার করে দিয়েছেন ২১টি বছর। তবে দীর্ঘ এই সময়ে তাকে কোন নাটক কিংবা সিনেমা নির্মাণে দেখা যায় নি, তার যত আগ্রহ বিজ্ঞাপন নির্মাণকে ঘিরে। গেল বছরে ‘লাক্স প্রিয়দর্শিনী’র বিজ্ঞাপন নির্মাণ করে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম কমওয়ার্ডের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে ফিল্ম ক্রাফট বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে রৌপ্য জিতে নেন।সাম্প্রতিক আলাপচারিতায় ক্যারিয়ার, স্বপ্ন এবং সমসাময়িক বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি। সেই আলাপচারিতার চুম্বকাংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

  • ক্যারিয়ারনামা

আজ থেকে ২২ বছর আগে অর্থাৎ ২০০০ সালে একুশে টেলিভিশনে ‘মুক্ত খবর’ শিরোনামে একটা অনুষ্ঠান হতো। এই অনুষ্ঠানটির মাধ্যমেই আমার ক্যামেরার পেছনে প্রথম কাজ করা। এটা করতে গিয়েই ক্যামেরার পেছনে কাজ করা নিয়ে আমার মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। এরপর তিন বছর এই অনুষ্ঠানটি নিয়ে কাজ করি। এরপর এটিএন বাংলা এবং আরও বেশকিছু চ্যানেলের অনুষ্ঠান করি, এরপর প্রোডাকশন হাউজে কাজ করি। এরপর আমরা কয়েকজন বন্ধুরা মিলে চারুকলায় ফ্যাশন শোয়ের একটা ইভেন্ট আয়োজন করি। যেখানে সব ফ্যাশন ডিজাইনার এবং শোবিজের সব গণ্যমান্য ব্যক্তিদের আমন্ত্রিত জানিয়েছিলাম এবং তারা সবাই এসেছিলেন।

এটাই ছিলো চারুকলায় কোনো প্রথম এবং শেষ ইভেন্ট যেখানে শোবিজের এত এত ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। ওই ইভেন্টেই পরিচয় হয় অমিতাভ রেজা চৌধুরী ভাইয়ের সঙ্গে, তার সঙ্গে কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবে কাজের জন্য বলেন আমার টিমকে। তার সঙ্গে আমার প্রথম কাজ ছিলো বাংলালিংক দেশ বিজ্ঞাপনের, যেটাতে শ্রাবস্তি তিন্নি প্রথম মডেল হয়েছিলেন। একটা সময় কস্টিউম নিয়ে কাজ করতে করতে তার সহকারী হই। চতুর্থ সহকারী পরিচালক থেকে ক্রমান্বয়ে প্রধান সহকারী পরিচালক হই। এরপর এসোসিয়েট ডিরেক্টর হয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসি। উনার সঙ্গে প্রায় ১২ বছর কাজ করেছি আমি। ২০১৭ সালে আদনান আল রাজীবের রান আউট ফিল্মসের সঙ্গে পার্টনার হই। সেই থেকে এখনও কাজ করে যাচ্ছি।

  • ২২ বছর ধরে এই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত। সেই তুলনায় কাজের সংখ্যা এত কম কেন?

আমি বিজ্ঞাপন নির্মাণ শুরু করি ২০১৬ এর শেষ দিকে। প্রথম বিজ্ঞাপন ছিলো হুয়াওয়ের বিজ্ঞাপন। এরপর করেছি লাক্সের বিজ্ঞাপন, যেটাতে বিদ্যা সিনহা মিম প্রথম লাক্সের সঙ্গে কাজ করে। এখন পর্যন্ত শতাধিকেরও বেশি বিজ্ঞাপন প্রচারে এসেছে আমার। আর আমি কখনোই সারাবছর কাজ করায় বিশ্বাসী না। অনেক কাজ করবো, এটা চাই না। এই ক্ষেত্রে আমার স্বাধীনতা আছে। বছরের ৩/৪ মাস আমি শুধু ট্রাভেলিং করি। আর গত দুই বছর ধরে তো দেশের পরিস্থিতি-ই স্বাভাবিক নেই। তারপরও মোটামুটি অনেক কাজই করেছি।

নতুন নির্মাতাদের প্রতি অনেকের আত্মবিশ্বাস কম থাকায় শুরুতেই ভালো কাজ পাওয়াটা একটু কঠিন। সেদিক থেকে আমার জার্নিটা খুবই সহজ ছিলো। যেমন প্রথম বছরেই আমি টেলকো করতে পেরেছি। টেলিটক ছাড়া সবগুলো টেলকো করার সুযোগ হয়েছে আমার এবং সেটা প্রথম বছরেই। শুধু তাই নয়, থিমেটিক বিজ্ঞাপন যেমন ইউনিলিভারের পন্ডস, সানসিল্ক, লাক্স, আয়ুষের কাজও করার সুযোগ হয় আমার। এদিক থেকে আমি অনেক ভাগ্যবতী যে কিনা পথচলার শুরুতেই এত ভালো ভালো কাজ করতে পেরেছি।

  • ক্যামেরার পেছনে কাজ করার ইচ্ছে কি শৈশব থেকেই ছিলো?

শৈশবে আমার ইচ্ছে ছিলো বিমানবাহিনীতে কাজ করার, বৈমানিক হওয়ার। উড়তে ভীষণ পছন্দ করি আমি। মাধ্যমিক পাশ করার পরই তো একুশে টেলিভিশনে ‘মুক্ত খবর’ শিরোনামে একটা অনুষ্ঠান করি। তখন ক্যামেরার পেছনে কাজ করার বিষয়টা আমার কাছে বেশ ভালো লাগে এবং আগ্রহ তৈরি হয়। যার কারণে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিকে আমি বিজ্ঞান বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করলেও এরপরে আমি পরিবর্তন করে মানবিকে (আর্টস) ভর্তি হই চারুকলা নিয়ে। ওইসময় যেহেতু ফিল্ম মেকিং নিয়ে কোনো প্রতিষ্ঠান ছিলো না তাই চারুকলায় ভর্তি হয় যেন ফ্রেমিং, আর্টস এসব বিষয় নিয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান লাভ করতে পারি। এগুলো আমাকে মেকিংয়ে অনেক বেশি সহযোগিতা করবে।

সময়ের সঙ্গে ম্যাচুরিটির সঙ্গে সঙ্গে ইচ্ছেরও পরিবর্তন আসে। তারুণ্যের পর প্রাপ্ত বয়সে আমি চিন্তা করলাম পরিচালক হবো, এখন কিন্তু আমি সেই জায়গাতেই আছি। যে যেটা চায় সেটা যখন করতে পারে তখন সেটার মধ্যে কিন্তু অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করে। এটাতে আনন্দ আছে, ভালো লাগা আছে। আমি যদি ব্যাংকার হতাম তাহলে কিন্তু কাজ করার জন্য করতে হতো। কিন্তু এখন আমি যেটা করছি সেটা কিন্তু ভালো লাগে বলেই করছি।

আমি হচ্ছি পুরান ঢাকার মেয়ে, যার পরিবারের কেউই মিডিয়াতে নেই। সেই আমি-ই এখন এই জায়গাতে কাজ করছি। আসলে কেউই কিন্তু বলতে পারে না যে কার সঙ্গে কি হবে! আমার কথা হচ্ছে, আমাকে সবাই চিনতে হবে এমনটা না, যাদের চেনার দরকার তারা চিনলেই হবে। যদি গণমানুষকে (সবাইকে) চেনানোর চিন্তা থাকতো আমার, তাহলে শিল্পী হতাম।

  • নায়িকা হতে না চাওয়ার কারণ কী ?

সেটা আমি চাই নি কখনও। আমার ক্যামেরার সামনে কাজ করতে ভালো লাগে না, মেকাপ করতে ভালো লাগে না। আমি কিন্তু অভিনয়ও করেছি, এমন না যা করিনি। অভিনয় করার চেয়ে অভিনয় করানোটা আমার কাছে বেশ ভালো লাগে, মজা লাগে। ওইটার নেশাটা আমাকে পেয়ে বসেছে। যার কারণে আমি অভিনয়ে নয়, পরিচালনায় এসেছি। আমি যেহেতু কস্টিউম ডিজাইনার, আর্ট ডিরেক্টর, ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছি; এই বিষয়গুলো নির্মাণের ক্ষেত্রে বেশ কাজে দেয়। আমি এগুলো জানি, শিখেছি। আমি যখন অনেক বেশি জানবো তখন আমার কাজ করতেও সুবিধা হবে। আমি এটা বিশ্বাস করি যে, শেখা কোন কাজই বৃথা যায় না। এটা কাজে আসেই।

  • ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই বিজ্ঞাপন নির্মাণে আগ্রহ দেখা গিয়েছে বেশি। নাটকে না আসার কারণ কী?

বিজ্ঞাপনের জায়গাটা আমার বেশি ভালো লাগার কারণ হচ্ছে, চাইলে মাসে আমি চারটা বিজ্ঞাপন বানাতে পারি। ভিন্ন জায়গা, ভিন্ন গল্প, ভিন্ন লোকেশন, ভিন্ন ট্রিটমেন্টে আমি কাজ করতে পারি। নাটকের জায়গাটা নিয়ে আমার খুব বেশি অভিজ্ঞতা নেই কারণ সহকারী পরিচালক হিসেবে আমি দুটি নাটকে কাজ করেছিলাম। সেই জায়গা থেকে নাটক নিয়ে আমি কিছুই বলতে চাই না তবে বিজ্ঞাপনের জায়গাটা আমাকে অনেক বেশি টানে। আমি যদি কখনও কিছু বানাই সেটা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হতে পারে নয়তো ফিচার ফিল্ম, কিন্তু নাটক বানাবো না।

  • বিজ্ঞাপন নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাগুলো কি কি বলে মনে হয় আপনার?

যে কোন কাজ করতে গেলেই আমি যত কম জানবো তত প্রতিবন্ধকতা আমার কাছে আসবে। আমি আমার ব্রেইনকে যত বেশি তথ্য দেবো বা সেই কাজটা সম্পর্কে জানবো, আমার কাছে প্রতিবন্ধকতা আসবে না। আমি যখন অনেক জানবো বা বুঝবো তখন বাঁধা আসলেও কিন্তু আমি সেটার সমাধান করতে পারব। আমি এটাই বিশ্বাস করি।

  • যে হারে পরিচালকের সংখ্যা বাড়ছে সে হারে প্রযোজক বাড়ছে না। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কি?

প্রযোজক, এটা যে নিজেই একটা পোস্ট বা পদবী, এটাই অনেকে জানে না। আমার কাছে তাই মনে হয়। এটা যদি মানুষ জানতো তাহলে হয়তো এই জায়গাতে সংখ্যাটা বাড়তো। বাংলাদেশ ছাড়া বাইরের দেশে যারা প্রযোজক তারা কিন্তু প্রডিউসারের আগে ফিল্ম মেকার। হোক সেটা এডভারটাইজিং কিংবা ফিল্ম। প্রযোজক হওয়ার জন্য কিন্তু পরিচালনাটা জানতে হবে। যেকোন একটা কাজ করতে গেলে সেটার জন্য প্রডিউসার, লাইন প্রডিউসার, পরিচালক, কস্টিউম ডিজাইনার, আর্ট নির্দেশক, প্রোডাকশন ম্যানেজার লাগে। এই বিষয়টাই বা কয়জনে জানে। পত্রিকা খুললেই সবাই শুধু পরিচালক আর শিল্পীর নামটাই দেখতে পায়, আর বাকিদের নাম বা সেই পদবীর জায়গাটাই থাকে না। তাহলে মানুষ জানবে কীভাবে যে এখানে কি কি আছে!

একজন প্রডিউসারের কাজটাই তো আমরা অনেকে জানি না। অনেকেই মনে করে যে, প্রডিউসারের কাজ টাকা দেওয়া, পরিচালকের কাজ নির্মাণ করা। কিন্তু পুরো কাজটাই যে প্রডিউসার কন্ট্রোল করেন, এটা অনেকেই জানে না। এসব না জানার কারণেই এই জায়গাটা নিয়ে কারো মধ্যে তেমন আগ্রহ তৈরি হয় না। তবে এখন সেটা একটু একটু করে পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। কারণ, এখন আমাদের যারা প্রডিউসার থাকেন তাদের অধীনেই চারজন করে প্রডিউসার থাকেন। এরজন্য অবশ্য সময় লাগবে অনেক। একদিনেই তো আর সব হয়ে যায় না, সময় দিতে হবে।

  • টেলিভিশন কিংবা চলচ্চিত্রের বাইরেও বিজ্ঞাপন আলাদা একটা ইন্ডাস্ট্রি। চলচ্চিত্র কিংবা নাটকের বর্তমান যা অবস্থা, সেদিক থেকে বিজ্ঞাপনের বর্তমান অবস্থা ও অবস্থান নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

সিনেমা কিংবা নাটক নিয়ে কিছুই বলতে চাই না। আর বিজ্ঞাপন ইন্ডাস্ট্রির কথা যদি বলি, এই জায়গাটা আগের চেয়ে অনেকটাই ভালো অবস্থানে আছে। আগের চেয়ে টেকনিক্যালি অনেকটা এগিয়েছে। আমি যেসময় কাজ করতে শুরু করি তখন কিন্তু এত আধুনিকায়ন ছিলো না, এখন কিন্তু অনেক আধুনিক। ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন হাতের নাগালেই সব। টেকনোলজির কারণে এখন সবকিছুই অনেক ফাস্ট।

বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে আগে অনেক গল্প বলার স্পেস ছিলো কিন্তু এখন সেটা কমে গিয়েছে। ক্লায়েন্টের নির্দেশ থাকে ৬/১০/১৫/২০ সেকেন্ডের মধ্যে গল্প বলতে হবে। এটা কিন্তু বেশ চ্যালেঞ্জিং। এত কম সময়ে কীভাবে গল্প উপস্থাপন করা সম্ভব! এটা একদিকে যেমন ভালো আবার একদিকে খারাপও। ভালো খারাপ সব যুগেই ছিলো, নাহলে আমরা বুঝতাম কি করে যে, কোনটা স্বর্ণযুগ ছিলো আর কোনটা কলিযুগ!

  • টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে তো সারাবছরই বাজেট সংকট নিয়ে অনেক কথা শোনা যায়। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে এর অবস্থা কি?

গত দুই বছরে কিন্তু বিজ্ঞাপনেও বাজেট অনেক কমে গিয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে বিনিয়োগ কমে গিয়েছে। আমার যতটুকু মনে হয়েছে, এই সময়টাতে অনেক জায়গায় সবাইকে কন্ট্রিবিউট করতে হয়েছে। যার কারণে বাজেট আরও কমে গিয়েছে। আগে আমাদের বড় ভাইয়েরা যে মার্কেটে কাজ করতো, আমরা সেসব মার্কেটে কাজ করতে পারছি না। কিন্তু সেইম প্রোডাকশন ডিজাইন দিয়েই আমাদের কাজ করতে হয়। এটা মাঝেমধ্যে ঝামেলাই হয় কিন্তু তারপর আমরাও অভ্যস্ত হয়ে যাই।

  • ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

আমি কখনোই হিসেব করে বা অনেক লম্বা সময়ের পরিকল্পনা করি না। আমার কাছে মনে হয়, স্রোতের সঙ্গে চললে একটা জায়গায় তো গিয়ে পোঁছাবো। তবে আমার আকাঙ্ক্ষা বা ইচ্ছে আছে ফিচার ফিল্ম বানানোর। তবে সেটা কবে এখনও জানিনা। আমি গল্প নিয়ে ভাবছি। এরমধ্যে অনেক জায়গা থেকেই বলেছে, ওটিটি প্লাটফর্ম থেকেও বলেছে কাজ করার জন্য। কিন্তু সবাইকে একটা কথা-ই বলেছি, আমি প্রেশারে পড়ে কিছু করতে চাই না। আমি যখন অনুভব করবো তখনই সেটা নিয়ে সামনে এগোবো।

বাংলাদেশ জার্নাল/আইএন

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত