ঢাকা, শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে

ফের প্রণোদনা চাইবে পোশাকশিল্পের মালিকেরা

ফের প্রণোদনা চাইবে পোশাকশিল্পের মালিকেরা
অনলাইন ডেস্ক

করোনা সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ শেষ হলেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফের প্রণোদনা চেয়ে আবেদন করবে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পের মালিকেরা।

সংগঠনের ওয়েবসাইটে শনিবার দেওয়া এক চিঠিতে এ কথা জানানো হয়েছে। নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে করোনা সংক্রমণ রোধে ঈদের পর শুরু হওয়া ১৪ দিনের লকডাউনে কারখানা বন্ধ রাখতে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রণোদনার প্রসঙ্গে সেলিম ওসমান চিঠিতে লিখেছেন, আমরা বর্তমানে যে কঠিন সময় অতিবাহিত করছি, সে বিষয়ে সরকার অবগত। চলতি বিধিনিষেধ শেষ হলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুনরায় প্রণোদনা চেয়ে আবেদন করা হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও প্রধানমন্ত্রী সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবেন।

করোনার বর্তমান ধরনটি মারাত্মক উল্লেখ করে চিঠিতে তিনি বলেন, সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিল্পকারখানাও এর আওতার বাইরে নয়। যদিও সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যাংকিং ও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য বন্দরসংশ্লিষ্ট সেবা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকছে। মহামারি থেকে দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য আর্থিক ক্ষতি হবে জেনেও বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। এই ১৪ দিনের বিধিনিষেধে রপ্তানি পরিকল্পনায় ব্যাঘাত ঘটবে তা ঠিক। কিন্তু ভবিষ্যতে করোনামুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করার জন্য এই ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। তাই তৃতীয় পক্ষের পরামর্শ না নিয়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিধিনিষেধ মেনে চলতে কারখানার মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

গত বছর মার্চে করোনার কারণে একের পর এক ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিতাদেশ আসতে থাকে। ওই সময় সরকার রপ্তানিমুখী শ্রমিকদের তিন মাসের (এপ্রিল, মে ও জুন) মজুরি দেয়ার জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। এরপরে পোশাকশিল্পের মালিকেরা আরো এক মাসের মজুরি দেয়ার জন্য ঋণ দাবি করেন। সরকারও তা মেনে নেয়। ওই সময় তহবিলের আকার বেড়ে ৯ হাজার ১৮৮ কোটি টাকা দাঁড়ায়।

তবে চতুর্থ মাসের বেতনের জন্য ঋণের ক্ষেত্রে মালিকদের সুদ দিতে হয় সাড়ে ৪ শতাংশ। বাকিটা সরকার ভর্তুকি দেয়। করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ রোধে গত ২৮ জুন শুরু হওয়া সীমিতে এবং পরে ১ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধেও শিল্পকারখানা চালু ছিল। তবে ২৩ জুলাই থেকে শুরু হওয়া কঠোরতম বিধিনিষেধে পোশাকসহ সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ আছে।

বাংলাদেশ জার্নাল- কেএস/ ওআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত