ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ আপডেট : ২ মিনিট আগে

সপ্তাহের ব্যবধানে ফের কমেছে টাকার মান

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২২, ১৭:২৪  
আপডেট :
 ১৬ মে ২০২২, ১৭:৫৯

সপ্তাহের ব্যবধানে ফের কমেছে টাকার মান
প্রতীকী ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে এক সপ্তাহের ব্যবধানে মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান আবারও কমেছে। সোমবার প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় মূল্য ৮০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে আমদানিকারকদের খরচ বাড়লেও রপ্তানিকারক ও প্রবাসীরা লাভবান হবেন।

ডলারের চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে প্রতিনিয়ত ডলার বিক্রি করছে। টাকার মান কমিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থনীতিবিদরা যদিও ডলারের দাম চাহিদা-জোগানের ওপর ছেড়ে দেয়ার পক্ষে।

জানা যায়, জানুয়ারি মাসের শুরুতে ডলারের বিনিময় মূল্য ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর ২৩ মার্চ তা আরও ২০ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ২০ পয়সা করা হয়েছিল। গত ২৭ এপ্রিল বাড়ানো হয় ২৫ পয়সা। তাতে ১ ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়ায় ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা। সর্বশেষ ৯ মে ডলারের বিনিময় মূল্য ২৫ পয়সা বাড়িয়ে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। যদিও খোলাবাজারে ডলারের দাম বহু আগেই ৯০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। খোলাবাজারে এখন ডলারের দাম ৯৩ টাকার বেশি। আর আমদানির এলসির বিপরীতে আমদানিকারকদের ডলার কিনতে হচ্ছে ৯৫–৯৬ টাকায়।

আন্তর্জাতিক বাজারে ভোগ্যপণ্য, কাঁচামাল ও তেলের দর বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে জাহাজের ভাড়াও। আমদানি ব্যয় বাড়ায় চাপ পড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর। কিন্তু আমদানির অনুপাতে রপ্তানি বাড়েনি অন্যদিকে প্রবাসী আয়ও কমে গেছে। ফলে প্রতি মাসে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এ কারণে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে জোগান দিতে হচ্ছে আমদানির খরচ।

আবার আমদানি খরচ এভাবে বাড়তে থাকলে রিজার্ভ আরও কমে যাবে। আবার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চাপ রয়েছে রিজার্ভের হিসাব সঠিক নিয়মে করার। সেটি করতে গেলে রিজার্ভের অর্থে গঠিত রপ্তানিকারকদের ঋণ তহবিল, সরকারি প্রকল্প ও শ্রীলঙ্কাকে দেওয়া ঋণ এবং সোনালী ব্যাংকে রাখা আমানত রিজার্ভের হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে। এতে রিজার্ভ কমবে। এখন রিজার্ভ রয়েছে ৪ হাজার ২০০ কোটি মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ জার্নাল/আ,র/এমএস

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত