ঢাকা, রোববার, ০৩ জুলাই ২০২২, ১৯ আষাঢ় ১৪২৯ আপডেট : ৫১ মিনিট আগে

স্বর্ণ ব্যবসা নিয়ে সাকিবের কোম্পানিকে বিএসইসির নোটিস

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২২ মে ২০২২, ১৭:৩৪  
আপডেট :
 ২২ মে ২০২২, ২০:১৭

স্বর্ণ ব্যবসা নিয়ে সাকিবের কোম্পানিকে বিএসইসির নোটিস
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈধভাবে স্বর্ণবার ও স্বর্ণালংকার আমদানি ও বিক্রির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত ডিলার বুরাক কমোডিটি এক্সচেঞ্জ কোম্পানি নামের একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করার কথা ২০২১ সালে জানান সাকিব আল হাসান। আর গত ২২ এপ্রিল বনানীতে ‘কিউরিয়াস’ সুইস মেড গোল্ডবার নামে নিজের স্বর্ণ ব্যবসার শোরুম উদ্বোধন করেন এ ক্রিকেটার। স্বর্ণ ব্যবসায় নামলেও সাকিবের প্রতিষ্ঠান কমোডিটি এক্সচেঞ্জের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি থেকে অনুমোদন নেয়নি।

সে জন্য সাকিবের দুই প্রতিষ্ঠান ‘রিলায়েবল কমোডিটি এক্সচেঞ্জ কোম্পানি’ এবং ‘বুরাক কমোডিটি এক্সচেঞ্জ কোম্পানি’-এর কাছে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে বিএসইসি।

রিলায়েবল কমিউনিটি এক্সচেঞ্জ কোম্পানি এবং বুরাক কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কোম্পানির কাছে বিএসইসি জানতে চেয়েছে, কমোডিটি এক্সচেঞ্জের অনুমোদন না নিয়ে কীভাবে তারা ব্যবসা করে যাচ্ছে।

সাকিবের দুই কোম্পানি স্বর্ণের ফিউচার কন্ট্রাক্টের ব্যবসা করছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। ফিউচার কন্ট্রাক্ট হচ্ছে একটি চুক্তি, যেখানে ক্রেতা ভবিষ্যতে একটি নির্দিষ্ট পরিমান সোনা নির্দিষ্ট দামে নির্দিষ্ট ক্রেতা থেকে কিনতে বাধ্য থাকেন। এই চুক্তিপত্র হস্তান্তর করা যায়। সরাসরি স্বর্ণ হাতে না রেখেও এই ব্যবসা করা যায়।

এ ধরনের ব্যবসা শুধু কমোডিটি এক্সচেঞ্জ করতে পারে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কাউকে কমোডিটি স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবসা করার সুযোগ দেয়া হয়নি।

চিঠিতে বলা হয়, কমোডিটি ফিউচার কন্ট্রাক্ট সংক্রান্ত বিষয়ে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ধারা ২ (সিসিসি) অনুযায়ী, কমোডিটি এক্সচেঞ্জে নগদ বা অফসেট কমিশনের সঙ্গে যথাযথভাবে নিবন্ধিত।

‘সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ধারা ৮ (৪) অনুযায়ী, সদস্যভুক্ত কোনো ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত নয় এমন কোনো সিকিউরিটিজের জন্য ব্রোকার বা ডিলার হিসেবে কাজ করবে না’ উল্লেখ করে চিঠিতে কমিশনের অনুমোদন ছাড়া বা স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য না হয়েও কমোডিটি ফিউচার কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে ব্যবসা করার প্রস্তাব দেয়ার বিষয়ে প্রতিষ্ঠান দুটির অবস্থান জানতে চেয়েছে কমিশন।

চিঠির অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবকেও দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এমএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত