ঢাকা, রোববার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ৯ কার্তিক ১৪২৮ আপডেট : ২ মিনিট আগে

দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে বিএনপির নেতারা

লবিং-তদ্বিরে নেতা না বানিয়ে যোগ্যদের মূল্যায়ন করুন

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০৭

লবিং-তদ্বিরে নেতা না বানিয়ে যোগ্যদের মূল্যায়ন করুন
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার বিষয়ে মতামত দিয়েছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির নেতারা। এজন্য তারা লবিং-তদ্বিরে নেতা বানানোর পরিবর্তে ত্যাগী ও যোগ্যদের মূল্যায়ন করার বিষয়ে তাগিদ দিয়েছেন।

বুধবার রাজধানীর বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে পাঁচ বিভাগের নেতাদের সাথে বিএনপির বৈঠকে তারা এসব কথা বলেন।

বিকেল ৪টায় এ বৈঠক শুরু হয়। দ্বিতীয় দফার দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে চট্টগ্রাম বিভাগের ৩৭ জন, কুমিল্লা বিভাগের ২৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ১৮ জন, সিলেট বিভাগের ১৪ জন, রংপুর বিভাগের ১৭ জন নির্বাহী সদস্য ছাড়াও জেলার ২০ জন নেতাসহ ১২৯ জনকে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলেও ৮৫ জন উপস্থিত ছিলেন।

সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে নেতারা বলেছেন- ২০১৪-১৫ সালের আন্দোলনের সময় সারাদেশ উত্তাল হলেও ঢাকা ছিলো নীরব। যে কারণে আন্দোলন দুটি ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণে এবার আন্দোলনে যাওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ এ সংগঠনকে আন্দোলন মুখি করতে হবে। আর লবিং তদ্বিরে নেতা বানানোর পরিবর্তে সারাদেশে ত্যাগী ও যোগ্যদের মূল্যায়ন করে কমিটি গঠন করতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, বৈঠকে নেতারা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের দাবিতে রাজপথে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার কথা বলেছেন। এজন্য তারা আগে ঢাকা মহানগর বিএনপিকে শক্তিশালী করতে এবং সারাদেশে ত্যাগী ও যোগ্য নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করার পরামর্শ দিয়েছেন।

বৈঠকে নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে আবদুল খালেক শিকদার, মঞ্জুরুল আহসান, অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার, জাহাঙ্গীর আলম, মমিনুল হক, এস এম কামাল উদ্দিন চৌধুরী, মোস্তফা খান সফরী, মাহবুব ইসলাম মাহবুব কাজী, শেখ মো. শামীম, খন্দকার মারুফ হোসেন, একরামুল হক বিপ্লব, আলাউদ্দিন হেনা, জিয়াউদ্দিন, সালাউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির, জিল্লুর রহমান, সিরাজুল হক, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সুলতান মাহমুদ বাবু, মাহমুদুল হক রুবেল, ইকবাল হোসেন, রফিকুল ইসলাম হিলালী, লায়লা বেগম, শামসুজ্জামান মেহেদী, আরিফা জেসমিন, রাবেয়া আলী, ডা. আনোয়ার হোসেন, মোতাহার হোসেন তালুকদার, মো. ইকবাল, মিজানুর রহমান চৌধুরী, আরিফুল হক চৌধুরী, শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, আবু কাহেরে শামীম, শাহ মোস্তফা, মজিবুর রহমান, হাসনা আক্তার সানু, গোলাম হায়দার, কাজী মফিজুর রহমান, ফোরকান ই আলম, সাচিং প্রু জেরী, মামুনুর রশিদ মামুন, হুম্মাম কাদের, ডা. মাজহারুল ইসলাম, সুশীল বড়ুয়া, বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, মশিউর রহমান, ডা. শাহাদাত হোসেন, শাহ আলম, আবু সুফিয়ান, ম্যামাচিং, মাহফুজল্লাহ ফরিদ, জেডএ খান মর্তুজা চৌধুরী তুলা, এ জেড এম রেজওয়ানুক হক, আখতারুজ্জামান মিয়া, বিলকিস ইসলাম, সাইফুর রহমান রানা, আমিনুল ইসলাম, মীর্জা ফয়সাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, হাসান রাজিব প্রধান, জহিরুল বাচ্চু, শামসুজ্জামান সাবু, গফুর সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও বৈঠকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বেগম সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার থেকে বিএনপির দ্বিতীয় দফার ধারাবাহিক বৈঠক শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগের ৩২ জন, রাজশাহী বিভাগের ৩৫ জন, বরিশাল বিভাগের ২৭ জন, জেলার ১৪ জন নির্বাহী কমিটির সদস্যসহ ১০৮ জন নেতাকে বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/কেএস/কেআই

  • সর্বশেষ
  • পঠিত
  • আলোচিত