ঢাকা, বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৫ মাঘ ১৪২৯ আপডেট : ২ মিনিট আগে
শিরোনাম

ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন মঙ্গলবার

  নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:০৭

ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন মঙ্গলবার
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল (৬ ডিসেম্বর)। সম্মেলন ঘিরে এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংগঠনটি।

সার্বিক ব্যাপারে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমরা সম্মেলনের সর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ইতোমধ্যে প্রার্থীদের আবেদনপত্র নিয়েছি। সেগুলো দায়িত্বশীলরা যাচাই-বাছাই করছেন। বয়স নিয়ে নেত্রীর চিন্তাভাবনা আছে। তিনিই সম্মেলনের দিন বিষয়টি জানিয়ে দেবেন। তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই নতুন কমিটি হবে।

সর্বশেষ সংগঠনটির জাতীয় সম্মেলন হয় ২০১৮ সালের মে মাসে। এর দুই মাস পর ৩১ জুলাইয়ে কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে দায়িত্ব পান সভাপতি হিসাবে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। বিভিন্ন কারণে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি তাদের পূর্ণ দায়িত্ব দেয়া হয়। জয়-লেখক দুই বছর ১১ মাস দায়িত্ব পালন করেন।

গত ২১ নভেম্বর জয় ও লেখক সংবাদ সম্মেলন করে জানান, ৮ ও ৯ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের সম্মেলন হবে। তবে ২৭ নভেম্বর পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ওবায়দুল কাদের জানান, ছাত্রলীগের অভিভাবক আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ৬ ডিসেম্বর সম্মেলন অনুষ্ঠানের সম্মতি দিয়েছেন। সে অনুযায়ী ওদিন ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকটি সম্মেলনের ন্যায় এবারও ছাত্রলীগের বয়সসীমা ২৯ বছর থাকছে। কেননা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের বড় একটি অংশ চান না ছাত্রলীগের নেতৃত্বে অছাত্র কিংবা ছাত্রদলের মতো বয়স্করা আসুক। এজন্য অনূর্ধ্ব ২৯ বছর বয়সের মধ্যে এমন এক ডজন প্রার্থীর শর্টলিস্ট করে তাদের যোগ্যতা, ম্যাচিউরিটি, পারিবারিক খোঁজখবর নেয়া শুরু হয়েছে।

একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, বয়সের ব্যাপারটি নিয়ে গোয়েন্দারা প্রার্থীদের স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন। একই সঙ্গে তাদের শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম, মেধা, যোগ্যতারও খোঁজখবর নিচ্ছেন। তারা বিতর্কমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে শেষ মুহূর্তে এসে নানা দিকে দৌড়ঝাঁপ করছেন প্রার্থীরা। তারা আওয়ামী লীগ নেতা, গোয়েন্দা ও সাংবাদিকদের বায়োডাটা পাঠাচ্ছেন। এসব প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কমিটি ঘোষণার আগে প্রার্থীদের নিয়ে নানা ধরনের বিতর্কমূলক তথ্য ছড়ানো হয়। কেউ যাতে তাদের ব্যাপারে ভুল তথ্য না দেয় এজন্য তারা নিজের স্বচ্ছ ইমেজ, পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড, শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত তথ্য বিভিন্ন জায়গায় পাঠাচ্ছেন।

বাংলাদেশ জার্নাল/রাজু

  • সর্বশেষ
  • পঠিত